খায়বারের যুদ্ধে মুহাম্মদ যেভাবে বন্দী নারী সাফিয়্যাকে ধর্ষণ করেছে

ইসলামের নামে যে ধর্মটি প্রচারিত হয়েছে, তা আসলে একটি নির্মম, লালসাপূর্ণ এবং যুদ্ধবাজ লোকের কীর্তির সংগ্রহ মাত্র। মুহাম্মদ, যাকে ইসলামী অনুসারীরা ‘রাসূল’ বলে অন্ধভাবে পূজা করে, তিনি ছিলেন একজন নির্দয় যুদ্ধবাজ, যিনি যুদ্ধের মাধ্যমে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে তাদের সম্পত্তি ও নারীদের লুট করতেন। এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ হলো খায়বারের যুদ্ধে সাফিয়্যাহ বিনত হুয়াইয়ের ঘটনা। ইসলামী হাদীসগুলো নিজেই এই নির্মমতার সাক্ষ্য দেয়, যা দেখলে যেকোনো সভ্য মানুষের মনে ঘৃণা জাগবে। মুহাম্মদ ছিলেন একজন লুটেরা, ধর্ষক এবং নারী-শোষক, যার ধর্মটি মানবতার কলঙ্ক।

প্রথমে দেখা যাক সুনান আবূ দাউদের হাদীস ২৯৯৫-এ কী বলা হয়েছে। আনাস ইবনু মালিকের বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, মুহাম্মদের নেতৃত্বে মুসলিমরা খায়বারে আক্রমণ করে। আল্লাহ নাকি এই দুর্গ জয় করিয়ে দেন, কিন্তু এটা তো আসলে মুহাম্মদের রক্তপিপাসু আক্রমণের ফল! সেখানে হুয়াইয়ের কন্যা সাফিয়্যাহর সৌন্দর্যের কথা মুহাম্মদের কাছে বর্ণনা করা হয়। এই নারীটি সদ্য বিবাহিতা ছিলেন, এবং তার স্বামীকে এই যুদ্ধে মুহাম্মদের লোকেরা নির্মমভাবে হত্যা করে। কী নির্দয়তা! স্বামী মারা যাওয়ার পরপরই মুহাম্মদ এই নারীকে ‘নিজের জন্য পছন্দ করলেন’। তাকে নিয়ে রওনা হন, এবং সাদ্দুস-সাহবা নামক জায়গায় পৌঁছে তার মাসিক ঋতু শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। তারপর? মুহাম্মদ তার সাথে ‘নির্জনবাস’ করেন, অর্থাৎ, যৌনসম্পর্ক স্থাপন করেন। এটা কী ধর্মীয় নেতার কাজ? না, এটা একজন যুদ্ধবাজ লুটেরার কাজ, যিনি যুদ্ধের লুট হিসেবে নারীদের ভোগ করতেন। মুহাম্মদের এই লালসা দেখে বোঝা যায়, ইসলাম নামক ধর্মটি আসলে তার ব্যক্তিগত কামনা-বাসনা পূরণের একটি ছল মাত্র।

এখন সহীহ বুখারীর হাদীস ৪২০০-এ যাওয়া যাক। আনাসের বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, মুহাম্মদ খায়বারে আক্রমণ করে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে বলেন, ‘খায়বার ধ্বংস হয়েছে’। কী অমানবিক! তিনি যোদ্ধাদের হত্যা করেন, শিশু ও নারীদের বন্দী করেন। সাফিয়্যাহকে প্রথমে দাহিয়াতুল কালবীর অংশে বণ্টন করা হয়, কিন্তু পরে মুহাম্মদ নিজে নিয়ে নেন। তার মুক্তিদানকে ‘মাহর’ হিসেবে গণ্য করেন – অর্থাৎ, তাকে ‘আযাদ’ করে বিবাহ করেন। কিন্তু এটা তো ছল! স্বামীকে হত্যা করে, নারীকে বন্দী করে, তারপর ‘বিয়ে’ করে ভোগ করা, এটা ধর্ষণের সমতুল্য। মুহাম্মদের এই কাজ দেখে বোঝা যায়, তিনি ছিলেন একজন নির্দয় তলোয়ারবাজ, যিনি ধর্মের নামে লুটপাট চালাতেন। ইসলামের এই হাদীসগুলো নিজেই প্রমাণ করে যে, মুহাম্মদের ধর্মটি শান্তির নয়, বরং হিংসা, হত্যা ও নারী-শোষণের।

আরও বিস্তারিতভাবে সহীহ বুখারী, বুক ৮, হাদীস ৩৭১-এ দেখা যায় যে, খায়বার জয়ের পর বন্দীদের সমবেত করা হয়। দিহয়া একটি দাসী চায়, এবং সাফিয়্যাহকে নেয়। কিন্তু অন্য একজন এসে বলে, ‘ইয়া নবীয়াল্লাহ! বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীরের নেত্রী সাফিয়্যাহকে দিহয়াকে দিচ্ছেন? তিনি তো আপনারই যোগ্য!’ মুহাম্মদ তাকে দেখে লালসায় মুগ্ধ হন এবং দিহয়াকে বলেন, ‘অন্য একটা দাসী নাও’। তারপর সাফিয়্যাহকে ‘আযাদ’ করে বিয়ে করেন। কী হাস্যকর! স্বামীকে হত্যা করে, পরিবারকে ধ্বংস করে, তারপর ‘বিয়ে’ এটা তো জোর করে দখল করা। মুহাম্মদের এই স্বভাব দেখে স্পষ্ট যে, তিনি ছিলেন একজন কামুক যুদ্ধবাজ, যিনি নারীদের যুদ্ধের লুট হিসেবে দেখতেন। ইসলামের অনুসারীরা এই ঘটনাকে ‘দয়া’ বলে চালিয়ে দেয়, কিন্তু যুক্তিবাদী মানুষের কাছে এটা একটি নির্মম অপরাধ।

এই ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট যে, মুহাম্মদের ইসলাম কোনো আধ্যাত্মিক ধর্ম ছিল না, বরং তার ব্যক্তিগত লালসা ও ক্ষমতার খেলা। তিনি যুদ্ধ করে নিরপরাধ হত্যা করেন, তাদের নারীদের দাসী বানান, এবং সুন্দরীদের নিজের হারেমে নিয়ে যান। সাফিয়্যাহর মতো নারীরা ছিলেন তার শিকার, স্বামী মারা যাওয়ার পরপরই তারা মুহাম্মদের যৌন-ভোগের বস্তু হয়ে উঠতেন। এমন একজনকে ‘পবিত্র নবী’ বলা তো মানবতার অপমান! ইসলামের এই হাদীসগুলো পড়লে বোঝা যায়, কেন এই ধর্মটি নারী-বিরোধী, হিংসাত্মক এবং অসভ্য। আমি দৃঢ়ভাবে বলছি: মুহাম্মদ ছিলেন একজন অপরাধী, এবং তার ধর্মটি বিশ্বের জন্য একটি অভিশাপ। যারা এখনও ইসলাম অনুসরণ করে, তারা এই সত্যগুলোকে অস্বীকার করে নিজেদের অন্ধ করে রাখে। সময় হয়েছে এই মিথ্যা ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করার!

Posted in

Leave a Reply

Discover more from Secular Freethinker

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading